Android Apps


আবদুল্লাহ ইবন মাসলামা-তালহা ইবন উবায়দুল্লাহ (রা) বলেন, একদা নজদের জনৈক অধিবাসী রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লামের খেদমতে এমতাবস্থায় আপমন করে যে, তার মাথার চুলগুলো ছিল উস্কখুস্ক, তার মুখে বিড়বিড় শব্দ শোনা যাচ্ছিল এবং তার কথাগুলি ছিল অস্পষ্ট। এমতাবস্থায় সে নবী করীম (স)-এর নিকটবর্তী হয়ে ইসলাম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে। জবাবে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম বলেন: দিবারাত্রির মধ্যে পাচ ওয়াক্ত নামায আদায় করা ফরয। তখন সে ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করে, তা ছাড়া আর কিছু করনীয় আছে কি? জবাবে নবী করীম (স) বলেন: না, যদি তুমি অতিরিক্ত (নফল) কিছু আদায় কর। রাবী বলেন, অত:পর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম তার নিকট রমযানের রোযার কথা উল্লেখ করেন। তখন সে ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করে, এ ছাড়া অধিক কিছু করনীয় আছে কি? জবাবে নবী করীম (স) বলেন: না যদি তুমি অতিরিক্ত কিছু কর। অত:পর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম তার জন্য ছদকার (যাকাত) কথা উল্লেখ করেন। তখন সে ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করে- এছাড়া অতিরিক্ত কিছু দিতে হবে কি? জবাবে তিনি বলেন, না- তবে যদি তুমি অতিরিক্ত কিছু দান কর। অত:পর লোকটি প্রত্যাবর্তনের সময় বলল: আল্লাহর শপথ! আমি এর চেয়ে বেশী বা কম করব না। এতদশ্রবনে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম বলেন: লোকটি যদি তার কথায় সত্য হয়- তবে সে অবশ্যই কামিয়াব (কৃতকার্য) হল।-আবু দাউদ শরীফ,অনুচ্ছেদ ১: নামায ফরয হওয়ার বর্ননা, ৩৯১ নং হাদীস।






আল কুরআন বাংলা
৪৩৩ পাতা ৪.৪২ এমবি
Al Quran
Bangla
433 page
4.42 mb




আল কুরআনের বিষয় অভিধান
আসাদ বিন হাফিজ
Al Quraner bishoy ovidhan
Asad bin hafij
353 PAGE size : 9.51 mb